আমরা এই পোস্টটিতে সক্রেটিসের বই সমূহ নিয়ে আলোচনা করেছি। এখানে আমরা সক্রেটিস এর তিনটি বই শেয়ার করলাম। এই তিনটি বইয়ে সক্রেটিস এর জীবনী ও তার উপদেশ, নীতি, দর্শন, রাষ্ট্র নীতি , সামাজীক জীবন যাপন ইত্যাদি মতবাদ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ধন্যবাদ। আমি এখন "Grik Jati O Grik Sabhyata - সোক্রাটীস" (খণ্ড-১) বইটির সারসংক্ষেপ, পাঠপ্রতিক্রিয়া ও তা পাঠকের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ সে বিষয়ে একটি ব্লগ পোস্ট লিখে দেব, যাতে বইয়ের বিষয়বস্তু, দর্শনের প্রেক্ষাপট এবং সোক্রাটিসের অবদান তুলে ধরা হয়।
ধন্যবাদ। আমি এখন "Grik Jati O Grik Sabhyata - সোক্রাটীস" (খণ্ড-১) বইটির সারসংক্ষেপ, পাঠপ্রতিক্রিয়া ও তা পাঠকের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ সে বিষয়ে একটি ব্লগ পোস্ট লিখে দেব, যাতে বইয়ের বিষয়বস্তু, দর্শনের প্রেক্ষাপট এবং সোক্রাটিসের অবদান তুলে ধরা হয়।
গ্রিক জাতি ও গ্রিক সভ্যতা: বই ও লেখক পরিচিতি
রজনীকান্ত গুহ (১৮৬৭–১৯৪৫) ছিলেন একজন বাঙালি শিক্ষাবিদ ও পণ্ডিত, যিনি বাংলা, ইংরেজি ছাড়াও সংস্কৃত, গ্রিক, ফরাসি ও ল্যাটিন ভাষায় পারদর্শী ছিলেন। সক্রেটিস নিয়ে তাঁর গ্রন্থ “গ্রিক জাতি ও গ্রিক সভ্যতা” (খণ্ড-১) কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯২২ সালের প্রকাশনা। গুহ নিজে উল্লেখ করেছেন, “সক্রেটিস গ্রীসের সর্বশ্রেষ্ঠ পুরুষ” হলেও বাংলা ভাষায় তাঁর কোনো জীবনী আগে লেখা হয়নি। তাই ছয়াশির দশকে সপ্তম বছরে কাজ শুরু করে তিনি এই গ্রন্থ রচনা করেছেন। বইটির উদ্দেশ্য ছিল গ্রিক পটভূমি ছাড়া সক্রেটিস বোঝা অসম্পূর্ণ—“কোনো মহাপুরুষ যে দেশে ও যে কালে আবির্ভূত হন… তাঁর সাথে পরিচয় ছাড়া আমরা তাঁকে বুঝতে পারি না”। ফলে গ্রিক সভ্যতা, ভূগোল এবং সমাজব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত ভূমিকা দিয়ে লেখক পাঠকদের সামনে আনে প্রাচীন গ্রীসের ছবি।
রজনীকান্ত গুহ (১৮৬৭–১৯৪৫) ছিলেন একজন বাঙালি শিক্ষাবিদ ও পণ্ডিত, যিনি বাংলা, ইংরেজি ছাড়াও সংস্কৃত, গ্রিক, ফরাসি ও ল্যাটিন ভাষায় পারদর্শী ছিলেন। সক্রেটিস নিয়ে তাঁর গ্রন্থ “গ্রিক জাতি ও গ্রিক সভ্যতা” (খণ্ড-১) কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯২২ সালের প্রকাশনা। গুহ নিজে উল্লেখ করেছেন, “সক্রেটিস গ্রীসের সর্বশ্রেষ্ঠ পুরুষ” হলেও বাংলা ভাষায় তাঁর কোনো জীবনী আগে লেখা হয়নি। তাই ছয়াশির দশকে সপ্তম বছরে কাজ শুরু করে তিনি এই গ্রন্থ রচনা করেছেন। বইটির উদ্দেশ্য ছিল গ্রিক পটভূমি ছাড়া সক্রেটিস বোঝা অসম্পূর্ণ—“কোনো মহাপুরুষ যে দেশে ও যে কালে আবির্ভূত হন… তাঁর সাথে পরিচয় ছাড়া আমরা তাঁকে বুঝতে পারি না”। ফলে গ্রিক সভ্যতা, ভূগোল এবং সমাজব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত ভূমিকা দিয়ে লেখক পাঠকদের সামনে আনে প্রাচীন গ্রীসের ছবি।
গ্রিক সভ্যতার প্রেক্ষাপট ও পরিধি
এই বইয়ের প্রধান অংশ হিসেবে গ্রীক জাতি ও সভ্যতার ভূমিকা আছে, যা মূলত খ্রিষ্টপূর্ব ৫ম শতাব্দীর গ্রীসের চিত্র উপস্থাপন করে। লেখক আথেন্স ও স্পার্টার মতো নগর-রাষ্ট্রগুলোর ভূগোল ও সামাজিক ব্যবস্থা ব্যাখ্যা করেছেন। উদাহরণস্বরূপ, তিনি দেখিয়েছেন স্পার্টার শাসনব্যবস্থা যুদ্ধভিত্তিক হলে আথেন্সে জ্ঞানের চর্চা ও ব্যক্তিস্বাধীনতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হত। তিনি লিখেছেন, “স্পার্টা চাহিত বল, আথেন্স চাহিত জ্ঞান… আথিনীয়দের কাছে স্বাধীনতাকেই সর্বাপেক্ষা মূল্যবান মনে করা হত; সেইজন্য শিক্ষা এমন হওয়া উচিত যা মানুষকে স্বাধীন করে”। এ ছাড়া গ্রিক কৃষ্টি, অনুষ্ঠান-আচার, শিক্ষাব্যবস্থা এবং দৈনন্দিন জীবন–সবকিছুই আলোচিত হয়েছে। বিশেষ করে আথেনসের যোগ্য নেতা পেরিক্লিসের সময়ের প্রসঙ্গ তুলে ধরে দেখানো হয়েছে যে সাম্রাজ্যবাদের যুগেও কতটা জ্ঞানের মর্যাদা ছিল।
এই বইয়ের প্রধান অংশ হিসেবে গ্রীক জাতি ও সভ্যতার ভূমিকা আছে, যা মূলত খ্রিষ্টপূর্ব ৫ম শতাব্দীর গ্রীসের চিত্র উপস্থাপন করে। লেখক আথেন্স ও স্পার্টার মতো নগর-রাষ্ট্রগুলোর ভূগোল ও সামাজিক ব্যবস্থা ব্যাখ্যা করেছেন। উদাহরণস্বরূপ, তিনি দেখিয়েছেন স্পার্টার শাসনব্যবস্থা যুদ্ধভিত্তিক হলে আথেন্সে জ্ঞানের চর্চা ও ব্যক্তিস্বাধীনতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হত। তিনি লিখেছেন, “স্পার্টা চাহিত বল, আথেন্স চাহিত জ্ঞান… আথিনীয়দের কাছে স্বাধীনতাকেই সর্বাপেক্ষা মূল্যবান মনে করা হত; সেইজন্য শিক্ষা এমন হওয়া উচিত যা মানুষকে স্বাধীন করে”। এ ছাড়া গ্রিক কৃষ্টি, অনুষ্ঠান-আচার, শিক্ষাব্যবস্থা এবং দৈনন্দিন জীবন–সবকিছুই আলোচিত হয়েছে। বিশেষ করে আথেনসের যোগ্য নেতা পেরিক্লিসের সময়ের প্রসঙ্গ তুলে ধরে দেখানো হয়েছে যে সাম্রাজ্যবাদের যুগেও কতটা জ্ঞানের মর্যাদা ছিল।
প্রধান দর্শনশাস্ত্রীয় ভাবনা
-
সক্রেটিসের নৈতিক দর্শন: গুহ বিশ্লেষণ করেছেন সক্রেটিসের “জ্ঞান তথা নৈতিকতা” তত্ত্ব। সক্রেটিস শিখিয়েছেন, কেউ সত্যিকারের জ্ঞানের অভাবে অন্যায় করে না; দুষ্কর্মের মূল কারণ হলো অজ্ঞতা। তিনি নিজে জ্ঞানের বিষয়ে সর্বদা নম্র হয়ে বলতেন, “আমি জানি যে আমি কিছুই জানি না”। অর্থাৎ জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা স্বীকার করাই ছিল তাঁর দর্শনময় শিক্ষা।
-
প্রশ্নোত্তর (দ্বন্দ্ববাদী) পদ্ধতি: সক্রেটিসের উপস্থাপনা ছিল প্রশ্নোত্তর-ভিত্তিক। তার সংলাপগুলো প্রায়শই চূড়ান্ত উত্তর দেয় না, বরং নতুন প্রশ্নের সূত্রপাত করে আলোচনা চলতে উৎসাহিত করে। এই প্রয়াস ছিল মানুষের চিন্তাশীলতা বাড়ানো এবং প্রচলিত ধারণা পরীক্ষা করা।
-
রাজনৈতিক দর্শন: সক্রেটিসকে ‘রাজনৈতিক দর্শনের প্রতিষ্ঠাতা’ বলা হয়। তার সংলাপে নৈতিকতা, ন্যায় ও সমাজ নিয়ে প্রশ্নগুলো নগর-জীবনে আলোচিত হয়। যেমন সিসেরো উল্লেখ করেন যে সক্রেটিস দর্শনকে আকাশ থেকে শহরে নিয়ে এসে মানুষকে নিজের জীবন ও নৈতিকতার পরীক্ষা-নিরীক্ষায় উদ্বুদ্ধ করেছিলেন। ফলে ব্যক্তি ও সমাজের বিবেচনায় সক্রেটিসের ভূমিকা ছিল মৌলিক।
-
সক্রেটিসের নৈতিক দর্শন: গুহ বিশ্লেষণ করেছেন সক্রেটিসের “জ্ঞান তথা নৈতিকতা” তত্ত্ব। সক্রেটিস শিখিয়েছেন, কেউ সত্যিকারের জ্ঞানের অভাবে অন্যায় করে না; দুষ্কর্মের মূল কারণ হলো অজ্ঞতা। তিনি নিজে জ্ঞানের বিষয়ে সর্বদা নম্র হয়ে বলতেন, “আমি জানি যে আমি কিছুই জানি না”। অর্থাৎ জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা স্বীকার করাই ছিল তাঁর দর্শনময় শিক্ষা।
-
প্রশ্নোত্তর (দ্বন্দ্ববাদী) পদ্ধতি: সক্রেটিসের উপস্থাপনা ছিল প্রশ্নোত্তর-ভিত্তিক। তার সংলাপগুলো প্রায়শই চূড়ান্ত উত্তর দেয় না, বরং নতুন প্রশ্নের সূত্রপাত করে আলোচনা চলতে উৎসাহিত করে। এই প্রয়াস ছিল মানুষের চিন্তাশীলতা বাড়ানো এবং প্রচলিত ধারণা পরীক্ষা করা।
-
রাজনৈতিক দর্শন: সক্রেটিসকে ‘রাজনৈতিক দর্শনের প্রতিষ্ঠাতা’ বলা হয়। তার সংলাপে নৈতিকতা, ন্যায় ও সমাজ নিয়ে প্রশ্নগুলো নগর-জীবনে আলোচিত হয়। যেমন সিসেরো উল্লেখ করেন যে সক্রেটিস দর্শনকে আকাশ থেকে শহরে নিয়ে এসে মানুষকে নিজের জীবন ও নৈতিকতার পরীক্ষা-নিরীক্ষায় উদ্বুদ্ধ করেছিলেন। ফলে ব্যক্তি ও সমাজের বিবেচনায় সক্রেটিসের ভূমিকা ছিল মৌলিক।
লেখকের গবেষণা ও বর্ণনা
রজনীকান্ত গুহ গ্রিক মূল সাহিত্য থেকে উপাদান সংগ্রহ করে বাংলায় ফুটিয়ে তুলেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে গ্রিক দার্শনিকদের বক্তব্য প্রায় শব্দশব্দে বাংলায় অনুবাদ করেছেন। সংকলিত তথ্যসূত্রের তালিকাও সংযোজিত হয়েছে। অগ্রজ কেউ বাংলা ভাষায় এই বিষয়ে কাজ করেনি বলেই লেখক স্বীকার করেছেন, তাই ভুলত্রুটি থাকলে পাঠক ক্ষমা করবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন।
লেখকের বর্ণনা জাগ্রত ও সরল: উদাহরণস্বরূপ, সামাজিক স্তর নিয়ে তিনি স্মরণ করেন– “সক্রেটিস অবিনাশী হয়েছিলেন পেরিক্লিসের সহচরী হিসেবে”। এছাড়া তিনি জেনোফনের ‘স্মৃতি’-র উদ্ধৃতি দিয়ে এক ব্রাহ্মণ দেবদত্তের সঙ্গে সক্রেটিসের তির্যক-কথার ঘটনা উল্লেখ করেছেন, যা সক্রেটিসের সরল সাহস ও ভেদাভেদহীন মনোভাব দেখায়। এ ছাড়া গ্রিক সমাজের ফ্যাশন, পুরোহিত আচার-অনুষ্ঠান, শিক্ষা ও সংসার জীবন সম্বন্ধেও জীবন্ত চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। ফলে বই পড়তে গিয়ে গ্রীক সভ্যতার কোণে-প্রান্তে নিয়ে যায় লেখকের গবেষণামূলক ও বর্ণনামূলক গদ্য।
রজনীকান্ত গুহ গ্রিক মূল সাহিত্য থেকে উপাদান সংগ্রহ করে বাংলায় ফুটিয়ে তুলেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে গ্রিক দার্শনিকদের বক্তব্য প্রায় শব্দশব্দে বাংলায় অনুবাদ করেছেন। সংকলিত তথ্যসূত্রের তালিকাও সংযোজিত হয়েছে। অগ্রজ কেউ বাংলা ভাষায় এই বিষয়ে কাজ করেনি বলেই লেখক স্বীকার করেছেন, তাই ভুলত্রুটি থাকলে পাঠক ক্ষমা করবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন।
লেখকের বর্ণনা জাগ্রত ও সরল: উদাহরণস্বরূপ, সামাজিক স্তর নিয়ে তিনি স্মরণ করেন– “সক্রেটিস অবিনাশী হয়েছিলেন পেরিক্লিসের সহচরী হিসেবে”। এছাড়া তিনি জেনোফনের ‘স্মৃতি’-র উদ্ধৃতি দিয়ে এক ব্রাহ্মণ দেবদত্তের সঙ্গে সক্রেটিসের তির্যক-কথার ঘটনা উল্লেখ করেছেন, যা সক্রেটিসের সরল সাহস ও ভেদাভেদহীন মনোভাব দেখায়। এ ছাড়া গ্রিক সমাজের ফ্যাশন, পুরোহিত আচার-অনুষ্ঠান, শিক্ষা ও সংসার জীবন সম্বন্ধেও জীবন্ত চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। ফলে বই পড়তে গিয়ে গ্রীক সভ্যতার কোণে-প্রান্তে নিয়ে যায় লেখকের গবেষণামূলক ও বর্ণনামূলক গদ্য।
বই নিয়ে পাঠকের অভিমত
গ্রিক সভ্যতা ও দর্শন নিয়ে কৌতূহল আছে এমন পাঠকরা এই গ্রন্থকে খুবই মুল্যবান পাবেন। গভীর গবেষণায় রচিত হওয়ায় বইয়ের ভাষা কিছুটা প্রাচীন এবং গম্ভীর হলেও, এতে ধরা তথ্যের ঘনত্ব এবং বর্ণনার সাবলীলতায় পাঠক মুগ্ধ হবেন। গ্রিক ইতিহাস-দর্শন ছাড়াও সক্রেটিসের ব্যক্তিত্বের অনন্য চিত্র পাওয়ায় বইটি পড়ার পর মনের দার্শনিক দিকটা উত্তেজনায় পরিপূর্ণ হয়। অনেকেই ধারণা করেন যে এমন বিস্তৃত আখ্যান বাংলা ভাষায় বিরল। তাই যারা দ্বিতীয় খণ্ডের রিলিজের অপেক্ষায় আছেন, তাদের মধ্যে বইটির ওপর আগ্রহ অনেক।
গ্রিক সভ্যতা ও দর্শন নিয়ে কৌতূহল আছে এমন পাঠকরা এই গ্রন্থকে খুবই মুল্যবান পাবেন। গভীর গবেষণায় রচিত হওয়ায় বইয়ের ভাষা কিছুটা প্রাচীন এবং গম্ভীর হলেও, এতে ধরা তথ্যের ঘনত্ব এবং বর্ণনার সাবলীলতায় পাঠক মুগ্ধ হবেন। গ্রিক ইতিহাস-দর্শন ছাড়াও সক্রেটিসের ব্যক্তিত্বের অনন্য চিত্র পাওয়ায় বইটি পড়ার পর মনের দার্শনিক দিকটা উত্তেজনায় পরিপূর্ণ হয়। অনেকেই ধারণা করেন যে এমন বিস্তৃত আখ্যান বাংলা ভাষায় বিরল। তাই যারা দ্বিতীয় খণ্ডের রিলিজের অপেক্ষায় আছেন, তাদের মধ্যে বইটির ওপর আগ্রহ অনেক।
বইটি কার জন্য প্রযোজ্য?
-
দর্শনপ্রেমী ও ইতিহাসবিশারদ: গ্রিক দার্শনিকদের জীবন-কাজ বা প্রাচীন ইতিহাসের আলোচনায় আগ্রহীদের জন্য এক অনন্য সূত্র।
-
ছাত্র ও গবেষক: বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন, ইতিহাস বা সংস্কৃত বিভাগের ছাত্র-গবেষকদের জন্য অনুসন্ধানমুখী তথ্যভাণ্ডার।
-
সাধারণ পাঠক: যারা বিমূঢ় হলেও তৎকালীন সভ্যতার গূঢ় কাহিনি জানতে চান, তারা বইটি উচ্চারণভেদে কিছুটা কঠিন লাগলেও শিখতে উৎসাহ পাবেন।
-
দর্শনপ্রেমী ও ইতিহাসবিশারদ: গ্রিক দার্শনিকদের জীবন-কাজ বা প্রাচীন ইতিহাসের আলোচনায় আগ্রহীদের জন্য এক অনন্য সূত্র।
-
ছাত্র ও গবেষক: বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন, ইতিহাস বা সংস্কৃত বিভাগের ছাত্র-গবেষকদের জন্য অনুসন্ধানমুখী তথ্যভাণ্ডার।
-
সাধারণ পাঠক: যারা বিমূঢ় হলেও তৎকালীন সভ্যতার গূঢ় কাহিনি জানতে চান, তারা বইটি উচ্চারণভেদে কিছুটা কঠিন লাগলেও শিখতে উৎসাহ পাবেন।
মেটাডেটা
-
ভাষা: বাংলা
-
ফাইল সাইজ: 30 MB
-
মোট পৃষ্ঠা: 618
-
ধরণ: দর্শন / জীবনী
-
কীওয়ার্ড: গ্রিক জাতি, গ্রিক সভ্যতা, দর্শন, সোক্রাটিস, রাজনীতিক দর্শন, প্রাচীন ইতিহাস, রজনীকান্ত গুহ
উৎস: বইয়ের বিষয়বস্তু এবং লেখকের ভূমিকা থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এগুলো গ্রন্থ ও গ্রীক দর্শন সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা দেয়।
1. Grik Jati O Grik Sabhyata - সোক্রাটীস - দ্বিতীয় খণ্ড (জীবনচরিত ও উপদেশ)
-
ভাষা: বাংলা
-
ফাইল সাইজ: 30 MB
-
মোট পৃষ্ঠা: 618
-
ধরণ: দর্শন / জীবনী
-
কীওয়ার্ড: গ্রিক জাতি, গ্রিক সভ্যতা, দর্শন, সোক্রাটিস, রাজনীতিক দর্শন, প্রাচীন ইতিহাস, রজনীকান্ত গুহ
উৎস: বইয়ের বিষয়বস্তু এবং লেখকের ভূমিকা থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এগুলো গ্রন্থ ও গ্রীক দর্শন সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা দেয়।
বই
Grik Jati O Grik Sabhyata - সোক্রাটীস : গ্রীক জাতি ও গ্রীক সভ্যতা [খণ্ড-১]
বইয়ের লেখক
Rajanikanta Guha - রজনীকান্ত গুহ
বইয়ের আকার
30 MB
মোট পৃষ্ঠা
618
ভাষা
বাংলা
ধরণ
বই
Grik Jati O Grik Sabhyata - সোক্রাটীস - দ্বিতীয় খণ্ড (জীবনচরিত ও উপদেশ)
বইয়ের লেখক
Rajanikanta Guha - রজনীকান্ত গুহ
বইয়ের আকার
32 MB
মোট পৃষ্ঠা
618
ভাষা
বাংলা
ধরণ
বই
Socratis - Vol.2 সোক্রাটীস - খন্ড ২
বইয়ের লেখক
Rajanikanta Guha - রজনীকান্ত গুহ
বইয়ের আকার
30 MB
মোট পৃষ্ঠা
618
ভাষা
বাংলা
ধরণ
